eibbuy.com
হাংরিনাকি কিনে নিলো দারাজ

ফুড ডেলিভারি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘হাংরিনাকি’ কিনে নিল দারাজ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে দারাজ ও হাংরিনাকি একীভূত হওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে কত টাকার বিনিময়ে এই একীভূতকরণ হয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করেননি দুই পক্ষের কর্ণধারেরা।

এর মাধ্যমে হাংরিনাকির সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ করেছে দারাজ। তবে এতে হাংরিনাকির বর্তমান ব্যবসায়িক কার্যাবলিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। হাংরিনাকির বর্তমান কর্মীরাই কাজে নিয়োজিত থাকবেন। সরাসরি দারাজের পরিচালনায় পৃথক ও স্বতন্ত্র ফুড প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচালিত হবে হাংরিনাকি। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে দারাজ কিনে নেয় চীনা ই–কমার্স জায়ান্ট আলিবাবা।

দারাজ কেন হাংরিনাকি কিনল—এ প্রশ্নের জবাবে দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, দারাজের ফুড ব্যবসা নেই। ফুড ব্যবসায় যেতে হাংরিনাকি কেনা হয়েছে। তা ছাড়া হাংরিনাকি নামটাও দারাজকে আকর্ষণ করেছিল। দারাজ যেমন ৬৪ জেলায় আছে, হাংরিনাকিও ৬৪ জেলায় থাকবে।

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম ফুড ডেলিভারি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হাংরিনাকি। দেশের পাঁচটি শহরে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট, ক্লাউড কিচেন এবং হোম কিচেন নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার গ্রাহককে প্রতিদিন পৌঁছে দিচ্ছে সুস্বাদু খাবার। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার ও নারায়ণগঞ্জে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ এখন তাঁদের পছন্দমতো খাবার অর্ডার করতে হাংরিনাকি ব্যবহার করেন।

অন্যদিকে, দারাজ বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস। দারাজ ক্রেতা ও বিক্রেতার সংযোগ ঘটানোর মাধ্যমে লক্ষাধিক বিক্রেতার ক্ষমতায়নে কাজ করছে। শতাধিক ক্যাটাগরির আওতায় কোটিরও বেশি পণ্য পাওয়া যায় দারাজে, যার চাহিদা পূরণে প্রতি মাসে প্রতিষ্ঠানটি দেশের আনাচকানাচে ২০ লাখেরও বেশি প্যাকেজ ডেলিভারি দিয়ে থাকে।

বিস্তারিত
করোনার আঘাতের পর দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ রপ্তানি চীনের

করোনাভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ রপ্তানি করেছে চীন। আজ রোববার দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমদানিও ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশটির। মহামারির সময়ে ইলেকট্রনিক পণ্য ও টেক্সটাইলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এটি রপ্তানি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। কারণ, মহামারির সময়ে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গৃহস্থালি পণ্য ও প্রতিরক্ষামূলক পণ্যের চাহিদা বিশ্বব্যাপীই ব্যাপক বেড়ে যায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ৬০ দশমিক ৬ শতাংশ, যা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি। ইলেকট্রনিকস ও মাস্কের রপ্তানি বেড়েছে ব্যাপক পরিমাণে। এ ছাড়া আমদানি বেড়েছে ২২ দশমিক ২ শতাংশ। শুল্ক প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, চীনের সামগ্রিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে ১০৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সরকারি তথ্য থেকে দেখা গেছে, ইলেকট্রনিকস পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ। মাস্কসহ টেক্সটাইল পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৫০ দশমিক ২ শতাংশ।
চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়, পরে যা বিশ্বের সবখানে ছড়িয়ে পড়ে। গত এক বছরে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে বিশ্ব অর্থনীতির। তবে করোনার প্রভাব সবার আগে কাটিয়ে উঠেছে চীন। গত বছর বড় অর্থনীতির মধ্যে কেবল চীনই প্রবৃদ্ধির ধারায় ছিল।

বিস্তারিত
ঘরে বসেই শুল্ক দেওয়া যাবে

আপনি বিদেশ থেকে মালামাল আমদানি করেছেন। কিন্তু শুল্ক-কর পরিশোধে এখন ব্যাংকে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়। পে–অর্ডার, চালান এসব তৈরি করে সরকারি কোষাগারে টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু দিন বদলে যাচ্ছে। এখন থেকে ঘরে বসেই শুল্ক-কর পরিশোধ করতে পারবেন। ব্যাংকে দৌড়ঝাঁপের দিন শেষ হচ্ছে। চালু হচ্ছে শুল্ক-কর পরিশোধের ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা।

একজন আমদানিকারক পণ্য আমদানির বিল অব এন্ট্রি দাখিলের পর শুল্ক কর্মকর্তারা শুল্কায়নপ্রক্রিয়া শুরু করে জানিয়ে দেন, তাঁর কত টাকা শুল্ক-নির্ধারিত হয়েছে। তারপর আমদানিকারক সেই পরিমাণ শুল্ক-কর ঘরে বসেই নিজ নিজ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করবেন। টাকা জমা হওয়ার পর শুল্ক বিভাগের সার্ভার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি প্রাপ্তি স্বীকার রসিদ মিলবে। সেই রসিদের ভিত্তিতেই তিনি মাল খালাস করে নিয়ে আসবেন।

এখন পণ্যের চালানের শুল্ক নির্ধারিত হলে ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দেন আমদানিকারক। সেই টাকা ঠিকমতো জমা পড়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পরই শুল্ক কর্মকর্তারা মাল খালাসের অনুমতি দেন।

নতুন ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে শুল্ক-কর পরিশোধের জাল কাগজপত্র জমার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। দেশের কাস্টমস হাউসগুলোতে ‘বদি আলম’দের দৌরাত্ম্য যেমন কমবে, তেমনি পণ্য খালাসের সময়ও কমে যাবে। অনৈতিক লেনদেনের সুযোগও সীমিত হবে। দেশের বৃহত্তর শুল্ক আদায়কারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে দালালশ্রেণির লোক আছে, যাঁদের বদি আলম বলা হয়। তাঁরা আমদানিকারকের নথিপত্র নিয়ে শুল্ক কর্মকর্তাদের টেবিলে টেবিলে দৌড়াদৌড়ি করেন, ব্যাংকেও যান। মোট কথা, দ্রুত মাল খালাসে সহায়তা করেন তাঁরা।

দেশের সব কাস্টমস হাউসে ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করার একটি পথরেখা তৈরি করেছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে ঢাকা কাস্টমস হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস এই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা চলবে। শুধু আমদানি নয়; কোনো পণ্য রপ্তানি করলে শুল্ক-কর থাকলে তা ই-পেমেন্টে পরিশোধ করা যাবে।

নতুন অর্থবছর অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে সারা দেশের সব কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে এই ব্যবস্থা চালু হবে। প্রথম ছয় মাস একটি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে দুই লাখ টাকার বেশি শুল্ক-কর আরোপ হলে ই-পেমেন্ট করতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে সব আমদানিকারকের জন্য ই-পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩ মার্চ এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে। টাকা পরিশোধ না করার মতো জালিয়াতি বন্ধ হবে। এতে শুল্ক বিভাগের যেমন সুবিধা হবে, তেমনি আমদানিকারকও সহজেই ঘরে বসে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে পারবেন।’

জানা গেছে, ঢাকা কাস্টমস হাউসে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয়। এসব বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ছোট-বড় পণ্যের চালানগুলো খালাস হয়। আমদানির হিসাবে, ঢাকা কাস্টমস হাউস হলো দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা। বহুজাতিক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ই-পেমেন্ট ব্যবস্থায় বেশি আগ্রহী বলে জানা গেছে।

নিট পোশাকমালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে আমদানিকারকদের সুবিধা হবে, তাঁরা উপকৃত হবেন। আমদানির কাগজপত্র দাখিলসহ পুরো শুল্কায়নব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় হলে আরও ভালো হতো। কারণ, শুল্ক কার্যালয়ে গিয়ে আমদানিকারকদের নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। কখনো কখনো অনৈতিক লেনদেনও করতে হয়।

বিস্তারিত
আর আইম্যাক প্রো বানাবে না অ্যাপল

চার বছর আগে আইম্যাক প্রো মডেলের কম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল অ্যাপল। আর এখন ঘোষণা এল, নতুন করে আর কম্পিউটারটি বানাবে না তারা। পিসিম্যাগ ডটকমের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

অ্যাপলের ওয়েবসাইটে এখনো আইম্যাক প্রো পাওয়া যাচ্ছে, তবে বর্তমান মজুত শেষ হলে সেটি সরিয়ে ফেলা হবে বলে সিনেটকে গতকাল শনিবার জানিয়েছে অ্যাপল। বিকল্প হিসেবে, আইম্যাকের ভক্তদের ২০২০ সালে বাজারে ছাড়া ২৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের আইম্যাক কেনার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আইম্যাক প্রোতে ইনটেল জিয়ন প্রসেসর, এএমডি ভেগা গ্রাফিকস, ১০ গিগাবিট ইথারনেট, ফাইভ-কে ডিসপ্লে এবং অ্যাপল টি২ চিপ ব্যবহার করা হয়েছে।

শুরু থেকেই আইম্যাক প্রো অ্যাপলের সেরা কম্পিউটারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবু সেটির হালনাগাদ বা নতুন সংস্করণ কদাচিৎ বাজারে ছেড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গত বছরের আগস্টে আইম্যাক প্রোর ৮-কোর মডেলটির উৎপাদন বন্ধ করে দেয় অ্যাপল। ১০-কোর সংস্করণটি তখন একমাত্র অপশন ছিল। এখন সেটিও বন্ধের ঘোষণা এল।

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইম্যাক সিরিজের কম্পিউটারগুলো নতুন করে বাজারে ছাড়তে চায় অ্যাপল। তবে সেটি আইম্যাক প্রোর নতুন সংস্করণ, নাকি সেটির বদলে নতুন মডেলের কম্পিউটার, তা জানায়নি।

বিস্তারিত
ইভ্যালি কি এমএলএম বিজনেস ?
এই প্রশ্নটা সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ার কারণ একটাই, প্রথম আলোর রিপোর্ট। প্রথম আলো ইভ্যালির ব্যাপারে যে কলামটি প্রকাশ করে, সেখানে ইভ্যালিকে এমএলএম ব্যবসার অনুরূপ নব্য ভার্সন বলে অবিহিত করে। কিন্তু এমএলএম ব্যবসা আর ইভ্যালির ব্যবসার মাঝে বিরাট পার্থক্য। এমএলএম ব্যবসায় বিক্রি করা হতো বায়বীয় প্রোডাক্ট। আর ইভ্যালি থেকে মানুষ প্রোডাক্ট গ্রহণ করছে, সেই ছবি অনলাইনে ভরি ভরি রয়েছে। এমনকি চলমান এই সংকটের সময়ও ক্রেতারা ইভ্যালি থেকে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করতেছে। প্রথম আলো মূলত ধারণাবসত এমএলএম ব্যবসার সাথে তুলনা করেছে। কিন্তু এমএলএম ব্যবসার সাথে ইভ্যালির ব্যবসার কোনো সাদৃশ্য নেই।

ইভ্যালি কি মানি লন্ডারিং করেছে?

এই প্রশ্নটি জটিল। এই প্রশ্নের উত্তর একমাত্র তদন্ত সাপেক্ষেই বলা সম্ভব। যদিও প্রথম আলো বলেছে, ইভ্যালির নামে নাকি মানি লন্ডারিং এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে সেটার তদন্ত হওয়া উচিত। তবে মানি লন্ডারিং এর সম্ভাবনা সেখানেই বেশি দেখা যায়, যেখানে ক্যাশ টাকার লেনদেন হয়। আর ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করলে, সেই টাকার হিসেব তো এমনিতেই থাকে। তা যেমন লেনদেনকৃত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছে থাকে, তেমনই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও সংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যায়। ফলে ব্যাংকে লেনদেনকৃত টাকা মানি লন্ডারিং করার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। আর ইভ্যালির প্রায় সমস্ত লেনদেন ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমেই করা হয়। ফলে এক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং এর সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। কিন্তু তারপরও তদন্ত ছাড়া এ কথা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়, মালি লন্ডারিং হয়েছে কিনা!

ইভ্যালি কি ক্রেতাদের সাথে ধোঁকাবাজি করছে?

ধোঁকাবাজি বলতে আদৌত আমরা কী বুঝি সেটা জানা দরকার। মনে করুন, আমি ইভ্যালিতে একটা বাইক অর্ডার করেছি। সেই বাইকের দাম ১ লাখ টাকা। পেমেন্ট করার আগে শর্তাবলিতে লেখা ছিল, পেমেন্ট করার পর পরবর্তি ৪৫ কর্ম দিবসের মধ্যে আপনাকে বাইটা ডেলিভারি করা হবে। এছাড়া এটাও বলা আছে, কখনো কখনো এর কিছুটা বেশিও সময় লাগতে পারে। এসব শর্ত দেখে আমি বাইকের ১ লাখ টাকা পেমেন্ট করে দিলাম। এখন ৪৫ কর্ম দিবস পেরিয়ে ৯০ কর্ম দিবস হল। কিন্তু আমাকে বাইক ডেলিভারি দেওয়া হলো না। এমনকি ইভ্যালি থেকে আমাকে কোনো আপডেট জানানো হল না। শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে বাইকও দিলো না, আমার টাকাও রিটার্ন দিল না। এটাকে বলে ধোঁকাবাজি।

এখন ইভ্যালিতে কোনো কিছু অর্ডার করতে গেলেই শর্তাবলিতে লেখা থাকে, ৭-৪৫ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রোডাক্টটি ডেলিভারি করা হবে। এই শর্ত মেনে অর্ডার ও পেমেন্ট করার পর এখন ১০ দিন পর থেকেই যদি বলেন, আমার অর্ডার করার এতোদিন হয়ে গেল কিন্তু প্রোডাক্ট পেলাম না। এটা ধোঁকাবাজি না। বরঞ্জ এটা আপনার বালখিল্য পনা। ইভ্যালিতে পেমেন্ট করে প্রোডাক্ট ডেলিভারি অথবা রিফান্ড পায়নি এমন ঘটনা হয়তো এখন পর্যন্ত একটিও ঘটেনি। তাই বলা যায়, ইভ্যালি এখন পর্যন্ত কোনো ধোঁকাবাজি করেনি। ভবিষ্যতে কী করবে, সেটা তাদের ব্যাপার। আমি তো ভবিষ্যতের কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি না।
বিস্তারিত
৫০০ টাকায় শুরু করুন লাভজনক ব্যবসা ( সাইড ব্যবসা)

আজকের পর্বে ফটোকপির ব্যবসায়ী দের জন্য একটি সাইড ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করব। বর্তমানে ফটোকপির দোকানে  ফটোকপি, অনলাইন আবেদন এ সকল হয়। এর সাথে কেউ কেউ ষ্টেশনারী আইটেম বিক্রি করে থাকে যার কারনে তারা অফিস টাইম ছাড়া প্রায় কাজ থাকে না। তাই তারা একটি সাইড ব্যবসা খুজে যা তারা অবসর সময়ে করবে। সব ব্যবসা কিন্তু  সাইড ব্যবসা করা যায় না। আজকের পর্বে ফটোকপি ব্যবসায়ী দের জন্য একটি লাভজনক সাইড ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করব। চলুন শুরু করা যাক।

সাইড ব্যবসার আইডিয়া(১)ঃ
বিভিন্ন কারনে আমাদের আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত  টাকা বাজারে অচল হয়ে যায়। কেউ এ সব টাকা দিয়ে সদাই দিতে চায় না। কারণ এ সব টাকা বিনিময় যোগ্য নয়। তাই বাংলাদেশ সরকার এ সব টাকা ব্যংকে জমা নিয়ে সে পরিমাণ টাকা বা তার চেয়ে কিছু কম টাকা দিয় তা বদল করে দেয়। সাধারণত কম মূল্যমান এর টাকা বেশি নষ্ট হয়, এর ফলে কেউ তা ফেরত দেয় না। অনেকে ব্যংকের গিয়ে ফেরত দেওয়া ঝামেলা মনে করে।  তাই আপনি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সকলের ক্ষতিগ্রস্ত টাকা একত্র করে ব্যংকে জমা দিয়ে আয় করতে পারেন।

লাভঃ যেমন কারো ৫০ টাকার একটি নোট ছিড়ে বা পানিতে পড়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিক পোড়া বা কোন কারনে কালি লেগে আছে আপনি সে নোট টি ৩০ টাকা দিয়ে কিনে নিলেন এবং ব্যংকে গিয়ে সেটি আপনি ৪০ টাকা বিক্রি করে দিলেন ১০ টাকা লাভ হবে। তবে টাকা সংগ্রহের আগে সব ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত নোট এর থেকে কত টাকা কেটে রাখা হবে এবং কোনটি ফেরত দেওয়ার যাবে না সে বিষয় যেনে নিবেন।
ইনভেস্টমেন্টঃ প্রথমত ৫০০ টাকার মত ক্ষতিগ্রস্ত টাকা সংগ্রহ করতে পারেন ।
* আইডিয়া (২)
বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করে ব্যবসাঃ আমাদের বিদেশীয় আত্নীয় বা স্বজন থেকে গিফট হিসেবে বিদেশী মুদ্রা পেয়ে থাকি যেমন ডলার, রিয়েল উল্লেখযোগ্য। তবে যাদের কাছে এর  পরিমাণ আল্প হয় তারা  ব্যংকে না গিয়ে বাজারে  যারা সংগ্রহ করে তাদের কাছে বিক্রি করে।   তারা বাজার দর থেকে একটু কমে কিনে তা ব্যংকে জমা দিয়ে লাভ করে থাকে।
ইনভেস্টমেন্টঃ প্রথমত ৫০০ টাকার বিদেশী টাকা  সংগ্রহ করতে পারেন।
* আইডি (৩)
আনলাই ব্যবসা
আপনার ব্যবহৃত ফোন ব্যবহার করে যে কো আনলাই ব্যবসা করতে পারেন। এ ছাড়া চাইলে আপনার পাশের পাইকারি দোকানের মাল আমাদের  eibbuy.com সাইটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন সম্পুর্ণ পুজি ছাড়া।

বিস্তারিত
ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করবেন কিভাবে?? ।। How to import Motor Bike from India??

ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেলের দাম খুবই কম । কারণ ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেল উৎপাদন করা হয়। তাই যে কেউ চাইলেই একটা করে আমদানি লাইসেন্স (IRC) করে ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করতে পারেন।

কিভাবে নতুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয়, নতুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা ? এসব নিয়ে আমদের ব্লগে বিস্তারিত আছে । সুতরাং আপনিও চাইলে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স IRC করার পরে নিজে ভারতে গিয়ে মটরসাইকেল আমদানি করতে পারবেন।

উল্লেখ্য কলকাতা থেকে বেনাপোল / পেট্রাপোল কাস্টমস এর দুরত্ব মাত্র ৮৭ কিঃমিঃ। আর বেনাপোল থেকে ঢাকার দূরত্ব ২৭০ কিঃমিঃ এর মত। এক্ষেত্রে ট্রান্সপোর্ট খরচ ও অনেক কম।
ভারত ও বাংলাদেশ সরকার ল্যান্ড কাস্টমস এর মাধ্যমে মটরসাইকেল আমদানিরপ্তানি বানিজ্যকে অনুমোদন দিয়েছে।

সে ক্ষেত্রে ভারত থেকে যশোর এর বেনাপোল কাস্টমস এর মাধ্যমে সড়ক পথে ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করা যাবে। ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি কার্যাধি অনেকের কাছেই অনেক কঠিন বলে মনে হয়। জানা থাকলে কিন্ত এটা সাধারন একটা ব্যাপার।

পুরাতন মোটরসাইকেল আমদানিতে সিসি সীমা বৃদ্ধি করে নতুন আদেশ জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়মে তিন বছরের অধিক পুরনো এবং ১৬৫ সিসির ঊর্ধ্বে সকল প্রকার মোটরসাইকেল
আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগের আদেশে ১৫৫ সিসির ঊর্ধ্বে সব মোটরসাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ ছিল।

তবে সর্বোচ্ছ তিন বছরের পুরাতন মোটর সাইকেল আমদানি করতে পারবেন। এই তিন বছর প্রমানের জন্য PSIC (Pre-shipment Inspection Certificate) লাগবে। এটা এজন্য যে আপনার গাড়িটি কত বছরের পুরাতন সেটা জানতে।

এতক্ষণে আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মোটর বাইক মনে হয় বেনাপোলে নিয়ে আসলেই হবে। এর পর কিছু ট্যাক্স দিলেই কাজ শেষ।

এভাবে না। একটা মোটর সাইকেল আমদানি করতে আপনাকে নিচের ধাপ গুলি অনুসরণ করতে হবে।

১।  প্রথমে সেলারের সাথে দর দাম ঠিক করে একটা পি আই নিয়ে আসতে হবে। পি আই কি? কিভাবে পি আই আনতে হয়, এই লিঙ্কে বিস্তারিত দেয়া আছে।

২। এই পি আই দিয়ে আপনাকে ব্যাংক থেকে LC করতে হবে।   সহজ ভাষায় LC কি ?? LC করার সহজ নিয়ম এখান থেকে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন।

৩। ব্যাংকে এল সি ওপেন করার পর সেলার আপনাকে পণ্য পাঠাবে। সেটা বেনাপোল বা যে কোন বন্দর দিয়ে পাঠাতে পারে।

৪। এবার আমদানি করার সকল কাগজ পত্র ব্যাংকে থেকে নিয়ে কোন সি এন্ড এফ কে দিতে হবে। ওরাই আপনার হয়ে সকল কাজ সম্পন্ন করে  মোটরসাইকেল আপনাকে বুঝিয়ে দিবে।

৫। বাংলাদেশে আসার পর তা BRTC থেকে পরিক্ষা করিয়ে নিতে হবে।

৬। ১৫১% ডিউটি বা ট্যাক্স দিতে হবে।

৭। ১% রেফারেন্স ভেলু ট্যাক্স দিতে হবে

কত ট্যাক্স আসতে পারে??
উল্লেখ্য যে বিগত বছর গুলোর তুলনায় চলতি অর্থ বছরে ২০১৬-১৭ ফোর স্ট্রোক এর ৫০ সিসি থেকে অনধিক ২৫০ সিসি ক্ষমতাযুক্ত মোটরসাইকেল এর আমদানিশুল্ক অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে।
ফোর স্ট্রোক এর ৫০ সিসি থেকে অনধিক ২৫০ সিসি ক্ষমতাযুক্ত মোটরসাইকেল এর সর্বমোট আমদানিশুল্ক ধার্য করা হয়েছে শতকরা ১৫১%।
যদি ও পুলিশ ছাড়া ১৫৫ সিসি এর অধিক ক্ষমতাযুক্ত মটরসাইকেল ব্যবহার করার অনুমতি নেই। তবে ক্ষেত্র বিশেষে ১৫০ সিসি এর অধিক ক্ষমতাযুক্ত মটরসাইকেল এর অনুমতি দেয়া হয়ে থাকে নিলাম আর বিশেষ অনুমতি ক্রমে।

অর্থাৎ ১৫২% মোট ট্যাক্স আসবে। মূল দামের উপর।

তাহলে একটা মোটর সাইকেল আমদানি করতে খরচ কত লাগবে ?? ধরুন আপনি  ভারত একটি R15 v3 আনবেন।  এর দাম ইন্ডিয়ান এক লাখ ২৫ হাজার রুপির মত , বাংলা টাকায় এক লাখ ৭৫ হাজার টাকার মত হবে ।  এবার মূল আলোচনায় আসি

বাইকের দাম=১,৭৫০০০ টাকা
১৫২% ট্যাক্স = ২৭০০০০ টাকা
এল সি খরছ=২০০০০ টাকা
ট্রান্সপোর্ট = ৫০০০ টাকা
সি এন্ড এফ খরচ=২০০০০ টাকা
BRTA এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ২০০০০ টাকা।
--------------------------
৫১০০০০ টাকা

বাঙ্গালদেশে দাম হলো ৫২৫০০০ টাকা ।  আপনি যদি বেশি পরিমাণে আমদানি করেন তবে এই খরচ আরও কমে আসবে।


যাহোক এবার আসি আপনাদের মনের ঘুরপাক দূর করতে। তাহলে কিভাবে বিভিন্ন কোম্পানি লাভ করে।

তবে কোন উৎপাদন কারী কোম্পানি ১৫২% ট্যাক্স দেয় না। তারা CKD (Completely Knocked Down) পণ্য নিয়ে আসে। অর্থাৎ তারা সকল পার্টস গুলি খুলে নিয়ে আসে। এজন্য সরকার তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সুবিধা দেয়। আর আপনার টা CBU (Completely Built Up) । কাজেই আপনি এই সুবিধা  পাবেন না।

এজন্য তারা আপনার চেয়ে কমে আমদানি করতে পারেন এবং লাভ অনেক বেশি করতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি আমদানি করলে সব দায় দায়িত্ব কিন্তু আপনারই থেকে যাবে। নষ্ট হলে আপনি সেটা ইন্ডিয়াতে পাঠাতে পারবেন না। কারণ সেটা আবার পাঠাতে হলে এক্সপোর্ট এর আওতায় পড়বে।
এছাড়াও আপনি আমদানি লাইসেন্স না করেও ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করতে পারবেন। সেটা আপনি সাম্পাল হিসাবে এক পিস নিয়ে আনতে পারবেন। আপনি ইন্ডিয়া থেকে বাইক ক্রয় করে বেনাপোল সিমান্তে নিয়ে আসবেন। সেখানে কাস্টমস ইনস্ট্যান্ট আপনার ইন্ডিয়া থেকে নিয়ে আসা বাইকের উপর একটা ট্যাক্স ধরবে। তবে এই ট্যাক্সটা নির্ভর করবে কাস্টমস অফিসার এর উপর। সেজন্য এই ট্যাক্সের কোন পরিমাণ বলা যায়না।

তবে এভাবে আমদানি করলেও ট্যাক্স কিন্তু কম আসবেনা। 

বিস্তারিত
আমদানি বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিন

অনেক প্রাচীনকাল থেকেই আমদানি ব্যবসা একটি সম্মানজনক ও লাভজনক ব্যসবা। এই ব্যবসাতে যেমন লাভ প্রচুর তেমনি রিস্কও আছে অনেক বেশী। সামান্য ভুলে শেষ হতে পারে আপনার সমস্ত পুঁজি। এজন্য আপনাকে আমদানি ব্যবসা নিয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ নিতে হবে। বাংলাদেশে প্রায় ৯৯% প্রশিক্ষণ সেন্টার গুলিতে আমদানি রপ্তানির কিছু তাত্ত্বিক বিষয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এসব বিষয় আপনি বই পড়েই জানতে পারবেন। কিন্তু আমদানি ব্যবসা শিখতে আপনাকে নিতে হবে প্রফেশনাল আমদানিকারক এবং সি এন্ড এফ থেকে বাস্তব প্রশিক্ষণ।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ মেধাবী ছাত্র, আমদানি রপ্তানি, সি এন্ড এফ ব্যবসার উপর প্রায় ১ যুগের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন্য সফিউল্লাহ স্যার  থেকে আমদানি ব্যবসা নিয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ নিতে এখনি রেজিস্ট্রেসন করুন । সফিউল্লাহ স্যার বাংলাদেশে আমদানি রপ্তানি নিয়ে সবচেয়ে বড় চ্যানেল  Export Import Bangladesh এ নিয়মিত আমদানি রপ্তানি নিয়ে ভিডিও আপলোড  করে থাকেন।  

দিন দিন আমার প্রচুর ব্যাস্ততার কারনে অফলাইনে প্রশিক্ষণ দেয়া অসম্ভব হয়ে পড়তেছে । অনেক স্টুডেন্ট ঢাকার বাহিরে থাকেন বা অনেক ফিমেল স্টুডেন্ট আছেন যারা অফলাইন ক্লাসে জয়েন করতে পারেন না তাদের কথা বিবেচনা করে আমাদের অনলাইন প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতি সপ্তায় অনলাইনে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।পরবর্তী ক্লাস আগামি ৩ এপ্রিল  শনিবার বিকাল ৩.০০ টা থেকে।


প্রশিক্ষণ ফিঃ ৫০০ টাকা
ফি জমদানের বিকাশ নম্বরঃ

০১৯৪২-৩২৫২৫৪ (পারসোনাল)
01942325254 (Personal)


টাকা বিকাশ করে মোবাইল নম্বর সহ আমাদের মেসেজ করুন বা ফেসবুকে নক করুন আমরা আসন কনফার্ম করে রাখবো ।
fb.com/Shafi.ullah09
md.shafiullah08@gmail.com

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ

০১৭২১-১২১২৩৩

(কেবল মাত্র ক্লাসে যোগদানের জন্য এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন)


কিভাবে প্রশিক্ষণ নিবেন

প্রথমে মোবাইলে Google Meet Apps টা ডাউনলোড করে নিন। প্লে স্টোরে গিয়ে  Google Meet লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন । অথবা https://meet.google.com/ এই লিংকে ক্লিক করে ডেস্কটপ থেকে প্রবেশ করতে পারবেন। আপনাকে ক্লাস শুরু হবার আগে কোড নাম্বার টা মেইলে বা ফেসবুকে দেয়া হবে। কোড দিয়ে আপনি ক্লাসে জয়েন করতে পারবেন।


সকল ডকুমেন্টের হার্ড কপি দেয়া হবে ।

যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবেঃ-  

1.    আমদানি ব্যবসা শুরু  করতে মার্কেট রিসার্চ কিভাবে করবেন ?
পণ্য বিক্রির মার্কেট ? পাইকারি বিক্রি করবেন নাকি খুচরা? চক বাজার বা খাতুন গঞ্জের পাইকারি বিক্রেতারা কি একই পণ্য আমদানি করে ? বন্ড সুবিধা আছে কিনা ? কমার্শিয়াল আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল আমদানিতে কোন
সুবিধা আছে কিনা ? ইন্ডিয়া থেকে আমদানি হয় কিনা ? ডোর টু ডোর আমদানি হয় কিনা ? লাভ কি পরিমাণ হয় ?
2.    কোন পন্যসামগ্রী কোন দেশ থেকে ক্রয় করবেন ?
3.    পন্যের জাহাজ ভাড়া, বিমান ভাড়া ও কুরিয়ার ফি কত?
4.    ঘরে বসে কিভাবে বিদেশ থেকে পণ্য সোর্সিং করে ইম্পোর্ট করবেন ?
5.    আলিবাবা থেকে কিভাবে পণ্য সোসিং করবেন ?
6.    এলসি মার্জিন কি ?
7.    মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে কিভাবে আমদানি করতে হয় আর ট্যাক্স কত হবে ?
8.    আমদানি ব্যবসা করতে হলে ব্যাংকে কি ধরনের একাউন্ট করতে হয় ?
9.    পি আই বা প্রোফর্মা ইনভয়েস কি এবং কিভাবে PI তৈরি করবেন ও পি আই দিয়ে কি ভাবে এল সি ওপেন করবেন ?
10.    কমার্শিয়াল ইনভয়েস কি ?
11.    প্যাকিং লিস্ট কি ?
12.    BL কি ? AWAB এবং HAWB কি ? পার্থক্য কি ?
13.    ব্যাক্তি নামে কিভাবে পণ্য আমদানি করবেন ?
14.    ডিক্লার ভ্যালু কি আর এসেসমেন্ট ভ্যালু কি ? কিভাবে  ডিক্লার ভ্যালু আর এসেসমেন্ট ভ্যালু নির্ধারণ করা হয় ?
15.    কোন পোর্টে কিভাবে এসেসমেন্ট ভ্যালু ধরা হয় ?
16.    কিভাবে পণ্যের সঠিক HS Code বের করবেন?
17.    পন্য সামগ্রী আমদানি করার জন্য HS Code দিয়ে কাস্টমস টেক্স, ভ্যাট কিভাবে বের করবেন ?
18.    সিএন্ডএফ এজেন্ট এবং  Freight forwarder (shipping agent) কি ?
19.    কোন পোর্টে সিএন্ডএফ এজেন্ট খরচ কত হয় ? 
20.    পোর্ট বিল, শিপিং বিল, সি আর কি ?
21.    ডোর টু ডোর আমদানি কিভাবে করবেন ? রেগুলার আমদানি আর  ডোর টু ডোর আমদানির পার্থক্য কি ?
22.    ডি ও এবং হাউজ এয়ার ওয়ে বিল কি ? কত খরছ হবে ? 
23.    কুরিয়ার সার্ভিস এবং বিমানে পণ্য আমদানিতে কি পার্থক্য ?
24.    L/C এবং TT খরছ কত ?
25.    Description of goods কি লেখবেন ?
26.    ট্যাক্সে ২% এক্সট্রা কেন ? 
27.    SRO কি ? কি কাজে ব্যবহার হবে ?
28.    DDP সিপমেন্ট কি ? 
29.    বিল অফ এন্ট্রি কি ? কি কাজে লাগে ?
30.    এসেমসেন্ট নোটিশ কি ?
31.    বন্ডে ট্যাক্স ফ্রি পণ্য কিভাবে আমদানি করে ? 
32.    আই জিএম কি ? বিস্তারিত
33.    ডিউটি রিডাকশন কি ? কিভাবে ডিউটি  রিডাকশন পাবো ?
34.    Shipment সংক্রান্ত সকল Inconterms যেমন:
1) FOB; 3) EXW (Ex works (EXW) is an international trade term that describes when a seller
makes a product available at a designated location,  and the buyer of the product must cover the transport costs); 5) CFR (Cost and freight);  6) CIF(Cost, insurance, and freight); 13) DDP;
35.    কাস্টমস ট্যারিফ বই দিয়ে কিভাবে ট্যাক্স নির্ধারণ করবেন ?
36.    আমদানি লাইসন্স করতে কি কি লাগবে ? কিভাবে করবেন ?
37.    ইন্ডিয়ান পণ্যের ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ?

বিস্তারিত
বিনা পুঁজিতে পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া
পাইকারি ব্যবসা হলো একটা রাজকীয় ব্যসবা। খুচরা ব্যসবা করে আপনি বড় হতে যত সময় লাগবে তার চেয়ে অনেক দ্রুত বড় হতে পারবেন পাইকারি ব্যবসা করে।
অনেকেই অনলাইনে পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে বেড়ান। কিন্তু সঠিক একটা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে পাওয়া দুস্কর। আজকে আপনাদের অনলাইনে
করা যাবে এরকম একটা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া দিবো। একবারে বিনা পুঁজিতে যারা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে বেড়ান তাদের জন্য এই পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া
টি খুব কাজে দিবে।

আপনারা যারা অনলাইন ই কমার্স ব্যবসার সাথে জড়িত তারা জানেন বি টু বি নামে একধরনের ওয়েবসাইট আছে। সেখানে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য পাইকারি ক্রেতাদের কাছে  সেল করেন। যেমন আলিবাবা ডট কম। আলিবাবাতে সাধারণত পাইকারি পণ্য ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে। খুচরা পণ্য এখানে বিক্রি হয়না। যারা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাদের জন্য আলিবাবা একটি মডেল।

বাংলাদেশে ই বাই ডট কম হলো আলিবাবার মত একটি ওয়েবসাইট যেখানে পাইকারি পণ্য ক্রয় বিক্রয় করা হয়। আপনাদের কাজ হলো যে কোন একটা পাইকারি দোকানের সাথে চুক্তি করা  তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে পাইকারি সেল করবেন। এবার তাদের পণ্য গুলি আপনি ই বাই ওয়েবসাইটে অ্যাড করুন। আস্তে আস্তে যত সম্ভব পণ্য অ্যাড করতে থাকুন। যত বেশী পণ্য অ্যাড করবেন তত বেশী আপনার পণ্য সেল হবার সম্ভাবনা থাকবে।

পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে হয়রান না হয়ে এখানে পণ্য অ্যাড দিয়ে পাইকারি বিক্রি শুরু করতে থাকুন।
বিস্তারিত
গ্রামে লাভজনক ব্যবসার ৪ টি আইডিয়া
বাংলাদেশ হচ্ছে হাজারো গ্রামের সমন্বয়ে তৈরি একটি দেশ ৷ এখানকার মানুষের মধ্যে গ্রামে বসবাস করার একটা ঝোক সবসময় থাকে ৷ ফলে অনেকেই চান গ্রামে লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে ৷ আসলে গ্রামে লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে তেমন বেশী বেগ পেতে হয়না ৷ কারন গ্রামের মানুষের পরিবারের পরিচালনা ব্যায় খুব কম ৷ সেহেতু একজন মানুষের তেমন বেশী আয় না করলেও চলে ৷ যেমন ধরুন গ্রামে বসবাস করতে কোন বাসস্থান খরচ লাগেনা ৷ পানি, শাকসবজি, মাছ, মাংশ সহজেই পাওয়া যায় ৷
যে কেউ চাইলে গ্রামে লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে পারেন খুব সহজে ৷ আজকের পোষ্টে আমি গ্রামে লাভজনক ব্যবসা শুরু করার অনেক গুলি আইডিয়া শেয়ার করবো ৷  গ্রামে লাভজনক ব্যবসা শুরু করার প্রথম আইডিয়া হলো কৃষি কাজ করা ৷

গ্রামে জুম চাষ
জুম চাষ শব্দটি অনেকের কাছেই পরিচিত একটি শব্দ ৷ সাধারনত পাহাড়ে এসব চাষ করা হয় ৷ আসলে জুম কোন সব্জি না ৷ এটা হলো সমন্বিত চাষ ব্যাবস্থা ৷ একটা জমিতে বিভিন্ন প্রকার শাক সবজি চাষ করা ৷
গ্রামে শাক সবজি ব্যাপক হারে ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে ৷ জুম চাষ হতে পারে গ্রামে লাভজনক ব্যবসার একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ ৷ প্রথমে সিলেক্ট করুন একটি উচু জমি ৷ যেখানে পানি জমবেনা ৷
বর্ষায় যেন পানি না জমে ৷ এবার সীজন খেয়াল করুন ৷ যেমন ধরুন শীতের আরো ৩ মাস বাকি আছে ৷ এই সময়ে আপনি শীতের কিছু শাক সবজি গোপন করলেন ৷  জত্ন করে যদি আপনি এগুলি শীতের অগ্রীম মৌসুমে উৎপাদন করে বাজারে আনতে পারেন তবে অনেক বেশি মুল্য পাবেন ৷ তবে এক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে,  কোন শাক সবজি এত বেশী উৎপাদন করা যাবেনা যেটা আপনাকে বিক্রি করতে সমস্যায় ফেলবে ৷ অল্প পরিমাণে উৎপাদন করে বাজারে নিয়ে যাবেন আর সেটা বিক্রি করবেন নিশ্চিন্তে।  এভাবে অগ্রিম শাক সবজি উৎপাদন করতে পারলে দিগুন দামে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব। সারা বছর এভাবে উৎপাদন করতে পারলে গ্রামে লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন।

গাছের চারা উৎপাদন

বাংলাদেশ হলো সবুজে ঢাকা একটি দেশ। গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে আপনি এই আইডিয়াটাকে কাজে লাগাতে পারেন। গ্রামে প্রচুর পরিমাণে গাছ পালা লাগানো হয়ে থাকে।  প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা খরচ করে মানুষ গাছ পালা রোপণ করে। ইদানীং অনেকে বিভিন্ন জাতের ফল, ফুলের গাছ ও লাগাতে শুরু করেছে। এসব  ফল ফুলের গাছ অনেক দামে বিক্রি হয়ে থাকে। যে কেউ চাইলে গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে একটা নার্সারি তৈরি করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। একটু উঁচু কোন স্থানে গাছের চারা রোপণ করতে পারেন। বিভিন্ন মার্কেট থেকে ফল, ফুল, কাঠ গাছের বীজ সংগ্রহ করে রোপণ করতে হবে। কিছু গাছের বীজ হয়না। বিভিন্ন বাড়ি থেকে এসব গাছের কন্দ, ডাল, কলম সংগ্রহ করে রোপণ করা যেতে পারে।

হাঁসের খামার

হাঁস হলো শক্ত প্রাণের প্রাণী । সহজে মরেনা। শীত গ্রীষ্ম বা বর্ষা, সব সিজনেই হাঁস বেচে থাকতে পারে । হাঁস তাদের খাবার খাল বিল থেকেই সংগ্রহ করতে পারে। গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে  হাঁসের খামার একটি লাভজনক ব্যবসা হিসাবে শুরু করা যেতে পারে। ২০-৫০ টা হাঁস দিয়ে যে কেউ খুব কম খরছে হাঁসের একটি খামার শুরু করতে পারেন। একটা পূর্ণ বয়স্ক হাঁস, বছরে প্রায় ৩০০ ডিম দিয়ে থাকে। ৫০ টা হাঁস থেকে ৪০ টা হাঁস ডিম দিবে । ৪০০ টাকা আয় করা সম্ভব প্রতিদিন। মাসে ১২-১৩০০০ টাকা। আর ডিম বিক্রি নিয়ে নো টেনশন। গ্রামের হোটেল গুলিতে হাঁসের ডিমের ব্যাপক চাহিদা আছে।

ছাগলের খামার

গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে ছাগলের খামার একটি লাভজনক ব্যবসা হিসাবে ধরে নেয়া যায়। ৪-৫ টি ছাগল কিনে শুরু করতে পারেন গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে ছাগলের খামার।  আসলে আগেই বলেছিলাম, গ্রামে আপনি তেমন আয় ইনকাম করার চিন্তা করার দরকার নাই। কয়েকটা উৎস থেকে আপনার মাসে ২০-৩০ হাজার টাকা আয় করলেই চলবে। ৫ টা ছাগল আপনি  ২৫-৩০ হাজার টাকায় ক্রয় করতে পারবেন। বছর শেষে আপনি ৫ টা ছাগল কমপক্ষে ৫০-৬০ হাজার টাকা সেল করতে পারবেন।
বিস্তারিত
Alibaba & Import Export Expert

আমদানি,রপ্তানি,আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন।

এখানে ক্লিক করুন
2017 © 2021 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft