Thursday, December 5, 2019

Sadfishing কি ? কেন Sadfishing দিয়ে মানুষের মানসিক সমস্যা নির্দেশ করে ?




Sadfishing কি ? কেন  Sadfishing দিয়ে মানুষের মানসিক সমস্যা নির্দেশ করে ?
Sadfishing কি ? কেন  Sadfishing দিয়ে মানুষের মানসিক সমস্যা নির্দেশ করে ?

সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে ঘন ঘন ব্যক্তিগত এবং মানসিক বিষয়গুলি পোস্ট করা মানসিক সমস্যা নির্দেশ করে ।

সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে আমারা যেসব আবেগিয় এবং ব্যক্তিগত পোস্টগুলি করি তা আমাদের বন্ধু এবং অপরিচিত ব্যক্তিরা  দেখেন। আর এসব ব্যক্তিগত এবং আবেগের তথ্য সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করাকে স্যাডফিশিং (Sadfishing) বলা হয়, যা ইংরেজী থেকে "Sad Fishing" হিসাবে অনুবাদ করা হয়। Fishing মানে কাউকে কোন বিষয়ে আকর্ষিত করতে বিশেষ ধরনের পথ অবলম্বন করা । Sadfishing is the act of making exaggerated claims about one's emotional problems to generate sympathy। এই Sadfishing শব্দটি লেখক রেবেকা রিড 2019 সালের শুরুতে তৈরি করেছিলেন। Sadfishing মাধ্যমে রিড ইন্টারনেটে আবেগিয় ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশের সংজ্ঞা দেয় । যার উদ্দেশ্য ইন্টারনেট সম্প্রদায়ের মনোযোগ বা সহানুভূতি আকর্ষণ করা । প্রকৃতপক্ষে, আমরা অনেকে মাঝেমধ্যে এই ধরনের ফিশিংয়ে জড়িয়ে পড়ি যা দিয়ে মারা মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করি এবং একটি পুরোপুরি বৈধ জিনিস । তবে, এই জাতীয় আবেগের বিষয়গুলি সামজিক মাধ্যমে ঘন ঘন পোস্ট করা আপনার মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।

Sadphishing, zombies, hosting ইত্যাদি নতুন ধারণা গুলি দিয়ে আমার বুঝতে পারি ইন্টারনেটে এই জাতীয় আচরণের উপর তেমন কোন রিসার্চ করা হয়নি । তবুও, মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ঘন ঘন আবেগিয় এবং ব্যক্তিগত তথ্য পোস্ট করা, যা Sadphishing ধরনের হলে বুঝতে হবে ওই ব্যাক্তির low self-esteem, loneliness, narcissism অথবা Machiavellianism এর সমস্যা আছে।কারন অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক নেটওয়ার্কগুলির ব্যবহারকারীরা এসব মানুষের পোষ্ট গুলি পড়ে সত্যিকারের উদ্দেশ্যগুলি মোটেই বুঝতে পারেনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু কিছু পোস্ট সত্যই গুরুত্বপূর্ণ যেমন ডিপ্রেশন ।

আমরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন সময়ে Sadphishing জড়িত থাকতে পারি, তবে Sadphishing এ সেলিব্রিটিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হন, বিশেষত যখন তারা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যা সম্পর্কে তথ্য দেয়। সোশ্যাল নেটওয়ার্কে করা এসব কমেন্টগুলি প্রায়শই প্রতিকূল প্রতিক্রিয়াতে পরিণত হয়, ফলস্বরূপ অনেক সেলিব্রিটি ইন্টারনেটে বুলিংয়ের শিকার হয়ে যায়।

গবেষকরা একমত যে সামাজিক নেটওয়ার্কগুলির ব্যবহারকারীরা তাদের কোন তথ্য সবার সাথে শেয়ার করবেন এবং কাদের সাথে শেয়ার করবেন তা খুব সাবধানতার সাথে বিবেচনা করা উচিত। যাদের সত্যিকারের সাহায্যের প্রয়োজন তাদের ব্যক্তিগতভাবে আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ করা প্রয়োজন, কারণ তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে পারেন বা তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন । 

No comments:

Post a Comment